লিখিত নোট

  • অপসারী বিবর্তনের ফলে সমসংস্থ অঙ্গ গঠিত হয়।উদাহরণ:পাখির ডানা,বাদুড়ের ডানা,তিমি বা সীল এর ফ্লিপার (দাঁড়ের মতো হাত),ঘোড়া, বিড়াল, ব্যাঙ, গিরগিটি, গিনিপিগ এবং গোসাপের অগ্রপদ, মানুষের হাত।
  • অভিসারী বিবর্তনের ফলে সমবৃত্তি অঙ্গ গঠিত হয়। যেমন- পাখির ডানা, প্রজাপতির ডানা, পতঙ্গের ডানা, বাদুরের ডানা, মৌমাছির ও কাঁকড়াবিছার হুল,মাছের পাখনা, তিমি মাছের ফ্লিপার, অক্টোপাসের চোখ, মানুষের চোখ।
  • Archaeopteryx এ ধরনের একটি জীবাশ্ম। জুরাসিক যুগে এর আবির্ভাব হয়েছিল। এরা ট্রানজিশনাল ফসিল/মিসিং লিংক/বিবর্তনিক সংযোগকারী হিসেবেও পরিচিত
  • পাখিদের বিবর্তনিক পথ: সরিসৃপ→ Archaeopteryx → পাখি।
  • একইভাবে Annelida → Peripetus → Arthropoda.
  • মারসুপিয়াল স্থন্যপায়ী প্রাণী হলো :- একডিনা, প্লাটিপাস, ক্যাঙ্গারু( অস্ট্রেলিয়া)
  • স্তন্যপায়ী প্রাণীর যুগ হলো সিনোজয়িক,
  • সরীসৃপের যুগ হলো মেসোজয়িক
  • উভচর, মাছ, অমেরুদণ্ডী প্রাণীর যুগ হলো প্যালিওজয়িক
  • প্লাটিপাস: সরীসৃপ ও স্তন্যপায়ীর মধ্যবর্তী কানেকটিং লিংক।  
  • লাং ফিস: মৎস্য ও উভচরের মধ্যবর্তী কানেকটিং লিংক।
  • গিনিপিগ, খরগোশ ইত্যাদি তৃণভোজী প্রাণীতে অ্যাপেনডিক্স সুগঠিত 
  •  অ্যান্টিজেনের উপর ভিত্তি করে ব্লাডগ্রুপ করা হয়েছে। 
  • মানুষের ABO ব্লাডগ্রুপ মালটিপল অ্যালিলিজমের প্রকৃষ্ট উদাহরণ
  • অ্যান্টিজেনগুলো মিউকোপলিস্যাকারাইড জাতীয় পদার্থ এবং অ্যাগ্লুটিনোজেন (agglutinogen) নামে পরিচিত। অপরপক্ষে, ব্লাডগ্রুপ নির্ধারণকারী অ্যান্টিবডিগুলো গ্লাইকোপ্রোটিন জাতীয় পদার্থ এবং অ্যাগুটিনিন (agglutinin) নামে পরিচিত
  • Rh-জনিত জটিলতার কারণে প্রচন্ড রক্তাল্পতা এবং জন্মের পর জন্ডিস রোগ দেখা দেয়। এ অবস্থাকে এরিথ্রোব্লাস্টোসিস ফিটালিস (erythroblastosis fetalis) বলে
  • মানুষের X জিন নিয়ন্ত্রিত এরকম কয়েকটি রোগ হলো লাল-সবুজ বর্ণান্ধতা (Red-green Color Blindness), হিমোফিলিয়া (Hemophilia), ডুসেন মাসকুলার ডিস্ট্রফি (Duchenne Muscular Dystrophy) । মানুষের Y জিন নিয়ন্ত্রিত একটি বৈশিষ্ট্য হলো কানের লোম।
  • মানুষে হিমোফিলিয়া, রেটিনোব্লাস্টোমা(প্রকট জিন), ব্রাকিফ্যালান্জি(অসম্পূর্ণ প্রকট জিন) রোগ সৃষ্টিকারী লিথাল জিন সেমিলিথাল ধরনের। ড্রসোফিলা মাছির লুপ্তপ্রায় ডানা সৃষ্টিকারী লিথাল জিন সাবভাইটাল ধরনের
  • মটরশুঁটির ডিপ্লয়েড কোষে সাতজোড়া ক্রোমোজোম আছে