অপসারী বিবর্তনের ফলে সমসংস্থ অঙ্গ গঠিত হয়।উদাহরণ:পাখির ডানা,বাদুড়ের ডানা,তিমি বা সীল এর ফ্লিপার (দাঁড়ের মতো হাত),ঘোড়া, বিড়াল, ব্যাঙ, গিরগিটি, গিনিপিগ এবং গোসাপের অগ্রপদ, মানুষের হাত।
অভিসারী বিবর্তনের ফলে সমবৃত্তি অঙ্গ গঠিত হয়। যেমন- পাখির ডানা, প্রজাপতির ডানা, পতঙ্গের ডানা, বাদুরের ডানা, মৌমাছির ও কাঁকড়াবিছার হুল,মাছের পাখনা, তিমি মাছের ফ্লিপার, অক্টোপাসের চোখ, মানুষের চোখ।
Archaeopteryx এ ধরনের একটি জীবাশ্ম। জুরাসিক যুগে এর আবির্ভাব হয়েছিল। এরা ট্রানজিশনাল ফসিল/মিসিং লিংক/বিবর্তনিক সংযোগকারী হিসেবেও পরিচিত
মারসুপিয়াল স্থন্যপায়ী প্রাণী হলো :- একডিনা, প্লাটিপাস, ক্যাঙ্গারু( অস্ট্রেলিয়া)
স্তন্যপায়ী প্রাণীর যুগ হলো সিনোজয়িক,
সরীসৃপের যুগ হলো মেসোজয়িক
উভচর, মাছ, অমেরুদণ্ডী প্রাণীর যুগ হলো প্যালিওজয়িক
প্লাটিপাস: সরীসৃপ ও স্তন্যপায়ীর মধ্যবর্তী কানেকটিং লিংক।
লাং ফিস: মৎস্য ও উভচরের মধ্যবর্তী কানেকটিং লিংক।
গিনিপিগ, খরগোশ ইত্যাদি তৃণভোজী প্রাণীতে অ্যাপেনডিক্স সুগঠিত
অ্যান্টিজেনের উপর ভিত্তি করে ব্লাডগ্রুপ করা হয়েছে।
মানুষের ABO ব্লাডগ্রুপ মালটিপল অ্যালিলিজমের প্রকৃষ্ট উদাহরণ
অ্যান্টিজেনগুলো মিউকোপলিস্যাকারাইড জাতীয় পদার্থ এবং অ্যাগ্লুটিনোজেন (agglutinogen) নামে পরিচিত। অপরপক্ষে, ব্লাডগ্রুপ নির্ধারণকারী অ্যান্টিবডিগুলো গ্লাইকোপ্রোটিন জাতীয় পদার্থ এবং অ্যাগুটিনিন (agglutinin) নামে পরিচিত
Rh-জনিত জটিলতার কারণে প্রচন্ড রক্তাল্পতা এবং জন্মের পর জন্ডিস রোগ দেখা দেয়। এ অবস্থাকে এরিথ্রোব্লাস্টোসিস ফিটালিস (erythroblastosis fetalis) বলে
মানুষের X জিন নিয়ন্ত্রিত এরকম কয়েকটি রোগ হলো লাল-সবুজ বর্ণান্ধতা (Red-green Color Blindness), হিমোফিলিয়া (Hemophilia), ডুসেন মাসকুলার ডিস্ট্রফি (Duchenne Muscular Dystrophy) । মানুষের Y জিন নিয়ন্ত্রিত একটি বৈশিষ্ট্য হলো কানের লোম।